কাঠ বাদাম (Almonds)
কাঠ বাদাম (Almonds) Price range: ৳ 480.00 through ৳ 1,600.00
Back to products
থাই বাদাম (Thai Peanuts)
থাই বাদাম (Thai Peanuts) Price range: ৳ 250.00 through ৳ 480.00

আখরোট (Walnut)

Price range: ৳ 500.00 through ৳ 1,650.00

আপনার সুস্থতা এবং বুদ্ধিমত্তার বিকাশে প্রকৃতির এক অনন্য উপহার হলো প্রিমিয়াম কোয়ালিটি আখরোট। বাছাইকৃত বড় দানা এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর আমাদের এই আখরোট আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে যোগ করবে এক রাজকীয় স্বাদ ও পুষ্টি। আমাদের এই আখরোট সরাসরি বাগান থেকে সংগৃহীত এবং হাইজিনিকভাবে প্রক্রিয়াজাত। এর মুচমুচে টেক্সচার এবং হালকা মিষ্টি-বাদামি স্বাদ আপনার স্ন্যাকিং টাইমকে করে তুলবে আনন্দদায়ক। এটি কোনো প্রকার প্রিজারভেটিভ বা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ছাড়াই আপনার কাছে পৌঁছানো হয়।

 
 
SKU: N/A Category:
Additional information
Weight N/A
Size

300g

,

500g

,

1kg

DESCRIPTION

উপাদান (Ingredients): ১০০% প্রাকৃতিক এবং বিশুদ্ধ আখরোট (Walnut kernels)। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই এবং মিনারেলস।

ইসলামিক শিক্ষা অনুযায়ী গুরুত্ব: ইসলামে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) পুষ্টিকর ও হালাল খাবারকে সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করেছেন। আখরোটকে অনেক ইসলামী স্কলার ও চিকিৎসক মস্তিষ্ক এবং স্নায়বিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে উল্লেখ করেছেন। এটি একটি উত্তম তায়্যিব (বিশুদ্ধ) খাবার যা মেধা বিকাশে সহায়ক।

ব্যবহারের নির্দেশনা (Cooking/Usage Instructions): প্রতিদিন সকালে ২-৩টি আখরোট পানিতে ভিজিয়ে রেখে খালি পেটে খেতে পারেন।

সালাদ, ওটস, দই বা কেক-বিস্কুটের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

হালকা রোস্ট করে সরাসরি স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া যায়।

সংরক্ষণ নির্দেশনা (Storage Instructions): আখরোটের গুণগত মান ও মুচমুচে ভাব বজায় রাখতে বাতাস নিরোধক (Airtight) বয়ামে ভরে রাখুন। দীর্ঘসময় সতেজ রাখতে নরমাল ফ্রিজে সংরক্ষণ করা সবচেয়ে ভালো। সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন।

আখরোট দিয়ে ৩টি পুষ্টিকর রেসিপি
আখরোট-মধু স্মুদি: এক গ্লাস দুধে ৩টি আখরোট, একটি কলা এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। এটি তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাবে।

হেলদি সালাদ টপিং: শসা, টমেটো এবং পনিরের সালাদের ওপর গুঁড়ো করা বা টুকরো করা আখরোট ছিটিয়ে দিন। এটি সালাদে আলাদা ক্রাঞ্চ যোগ করবে।

আখরোট ও খেজুরের লাড্ডু: বীজ ছাড়া খেজুরের সাথে আখরোট মিশিয়ে ব্লেন্ড করে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। এটি বাচ্চাদের জন্য সেরা পুষ্টিকর টিফিন।

Pairing Suggestions (উপযুক্ত খাবারের জুটি)

আখরোটের স্বাদ আরও বাড়িয়ে তুলতে নিচের খাবারগুলোর সাথে ট্রাই করুন:

ডার্ক চকলেট: বিকেলের নাস্তায় ডার্ক চকলেটের সাথে আখরোট একটি চমৎকার কম্বিনেশন।

টক দই ও মধু: দইয়ের ওপর মধু এবং আখরোট ছিটিয়ে দিলে এটি সেরা প্রোবায়োটিক খাবার হয়ে ওঠে।

পনির (Cheese): চিজের সাথে আখরোটের স্বাদ বেশ রাজকীয় লাগে।

SPECIFICATION
Topic Description
Product Name আখরোট (Walnut)
Scientific Name Juglans regia
Category আস্ত (In-shell) অথবা খোসা ছাড়ানো (Shelled Kernels)।
Color হালকা সোনালি থেকে হালকা বাদামি।
Taste and Aroma মৃদু বাদামি স্বাদ এবং সতেজ বাদামের সুগন্ধ।

Nutritional Information (Per 30 g Serving)

আখরোট ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি চমৎকার উৎস।

পুষ্টি উপাদান (Nutrients) পরিমাণ (Amount per 30g) দৈনিক চাহিদা (DV %)
ক্যালরি (Calories) ১৮৫ - ১৯০ kcal ৯%
মোট ফ্যাট (Total Fat) ১৮.৫ গ্রাম ২৮%
ওমেগা-৩ (ALA) ২.৫ গ্রাম ১৫০% +
প্রোটিন (Protein) ৪.৩ গ্রাম ৯%
কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrates) ৩.৯ গ্রাম ১%
ফাইবার (Fiber) ১.৯ গ্রাম ৭%
চিনি (Sugar) ০.৭ গ্রাম ০%
ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium) ৪৫ মি.গ্রাম ১১%
ফসফরাস (Phosphorus) ৯৮ মি.গ্রাম ৮%
ভিটামিন বি৬ (Vitamin B6) ০.১২ মি.গ্রাম ৮%

খাদ্য সংক্রান্ত বিবেচনা (Dietary Considerations)

ডায়েট টাইপ (Diet Type) উপযুক্ততা (Suitability)
গ্লুটেন-ফ্রি (Gluten-Free) হ্যাঁ, এটি প্রাকৃতিকভাবে গ্লুটেন মুক্ত।
ভেগান (Vegan) হ্যাঁ, এটি ১০০% উদ্ভিদজাত খাবার।
কিটো ডায়েট (Keto Friendly) হ্যাঁ, উচ্চ ফ্যাট এবং কম কার্বোহাইড্রেটের কারণে এটি কিটোতে আদর্শ।
অ্যালার্জি সতর্কতা (Allergen) এটি একটি Tree Nut; বাদামে অ্যালার্জি থাকলে এড়িয়ে চলতে হবে।
সুগার ফ্রি (No Added Sugar) হ্যাঁ, এতে কোনো অতিরিক্ত চিনি নেই।

উপকরণের তালিকা (Ingredients List)

উপাদান (Ingredients) শতাংশ (Percentage)
কাঁচা আখরোট (Raw Walnuts) ১০০%
প্রিজারভেটিভ (Preservatives) নেই (প্রাকৃতিক পণ্যের ক্ষেত্রে)।

প্যাকেজিং তথ্য (Packaging Information)

বিষয় (Feature) বিবরণ (Description)
প্যাকেজিং উপাদান (Material) ফুড-গ্রেড প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পাউচ (Moisture barrier) বা ভ্যাকুয়াম ব্যাগ।
প্যাক সাইজ (Pack Sizes) ২৫০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম এবং ১ কেজি (খুচরা বিক্রির জন্য)।
স্টোরেজ নির্দেশিকা (Storage) ঠান্ডা, শুকনো জায়গায় এবং সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন।
পরিবহন (Transportation) আর্দ্রতা এবং পোকা-মাকড় থেকে সুরক্ষিত অবস্থায় পরিবহন করতে হবে।

সার্টিফিকেট এবং কমপ্লায়েন্স (Certifications & Compliance)

সনদ (Certifications) প্রয়োজনীয়তা (Significance)
FSSAI / BSTI স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন নিশ্চিত করার জন্য।
ISO 22000 খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা সিস্টেম (HACCP) নিশ্চিত করে।
Organic (USDA/EU) যদি পণ্যটি রাসায়নিকমুক্ত বা জৈব উপায়ে উৎপাদিত হয়।
Phytosanitary Certificate আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সময় পণ্যটি রোগমুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করে।
Halal / Kosher নির্দিষ্ট ধর্মীয় ডায়েটরি গাইডলাইন মেনে চলার প্রমাণ।
FAQ

১. আখরোট খাওয়ার সেরা সময় কোনটি এবং এটি কীভাবে খেতে হয়?

আখরোট খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় হলো সকালবেলা। তবে আপনি চাইলে বিকেলের নাস্তা হিসেবেও এটি খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, রাতে ৩-৪টি আখরোট পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে এর পুষ্টিগুণ সবচেয়ে ভালো পাওয়া যায় এবং হজম করতে সুবিধা হয়।

২. প্রতিদিন কয়টি আখরোট খাওয়া উচিত?

একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দিনে ২ থেকে ৪টি আস্ত আখরোট (৪-৮টি দানা) যথেষ্ট। কোনো কিছুই অতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয়, কারণ আখরোটে প্রচুর ক্যালরি এবং ফাইবার থাকে, যা অতিরিক্ত গ্রহণে হজমে সমস্যা হতে পারে।

৩. আখরোট কি ওজন কমাতে সাহায্য করে নাকি ওজন বাড়ায়?

আখরোট পরিমিত পরিমাণে খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা ফাইবার এবং প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে এতে থাকা উচ্চ ক্যালরির কারণে ওজন বাড়তে পারে।

৪. গর্ভবতী মায়েরা কি আখরোট খেতে পারেন?

হ্যাঁ, গর্ভবতী মায়েদের জন্য আখরোট খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে এটি ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করার আগে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

৫. আখরোট কীভাবে সংরক্ষণ করলে দীর্ঘদিন ভালো থাকে?

আখরোট দীর্ঘ সময় সতেজ রাখতে চাইলে এটি একটি বায়ুরোধী (Air-tight) পাত্রে ভরে ঠান্ডা এবং শুষ্ক জায়গায় রাখুন। সাধারণ তাপমাত্রায় এটি কয়েক সপ্তাহ ভালো থাকে, তবে রেফ্রিজারেটরে বা ফ্রিজে রাখলে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত অটুট থাকে।